কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫ এ ০৫:২২ AM
কন্টেন্ট: পাতা
প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৬ সালে, তৎকালীন গভর্নর লর্ড থমাস ডেভিড ব্যারন কারমাইকেল-এর নামে নামকরণ।
অবস্থান: রংপুর শহরের লালবাগে; শহরের কোলাহল থেকে দূরে, 206 একর সবুজ ক্যাম্পাসের উপর (BANBEIS)।
প্রতিষ্ঠার পটভূমি: জমিদার ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠা। অর্থ ও জমি দান করেন কুন্ডি, কাশিমবাজার, রাধাবল্লভ প্রভৃতি অঞ্চলের জমিদার।
ইতিহাস ও অবদান: অবিভক্ত বাংলার অন্যতম খ্যাতিমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান; অসংখ্য চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, বিজ্ঞানী, প্রশাসক, রাজনীতিবিদের জন্মস্থল এবং শিক্ষায় ও সংস্কৃতিতে অগ্রণী ভূমিকায়।
বিশিষ্ট প্রাক্তন: শহীদ জননী জাহানারা ইমাম, আবু সাদাত মোঃ সায়েম, হুসেন মোঃ এরশাদ (বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি), মেজর জেনারেল মুস্তাফিজার রহমান (প্রাক্তন সেনাপ্রধান)।
বিশেষ ঘটনা: সভায় দান ঘোষণায় ‘শূন্য বিভ্রাটে’ টেপার জমিদার অন্নদা মোহন রায় চৌধুরী এক লক্ষ টাকা দান করেন, যা আজও ‘অন্নদা মোহন হল’-এ স্মরণীয়।
প্রধান ভবন: ১৯১৮ সালে উদ্বোধন; ইন্দোস্যারানিক ও মোঘল স্থাপত্যরীতির অনন্য নিদর্শন, দৈর্ঘ্য ৬১০ ফুট, প্রস্থ ৬০ ফুট।
লাইব্রেরি: ৭০,০০০+ বইয়ের সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার; শুরু হয়েছিল ২৫০ বই দিয়ে।
মোট শিক্ষার্থী: প্রায় ২৪,০০০ (সম্প্রতি ২৫-৩০ হাজার)।
আবাসিক হল: ছাত্রদের জন্য ৪টি (জি এল, ওসমানী, সিএম, কে বি—কে বি হল শুধু হিন্দু ছাত্রদের জন্য, সিএম হল পরিত্যক্ত), ছাত্রীদের জন্য ৩টি (তাপসী রাবেয়া, বেগম রোকেয়া, জাহানারা ইমাম)।
অন্যান্য ভবন ও উদ্যোগ:
তিন তলা বিজ্ঞান ভবন, কলা-ব্যবসা ভবন, রসায়ন ভবন
শহীদ মিনার, মুক্তিযুদ্ধ স্মারক ‘প্রজন্ম’
অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ক্যান্টিন, মসজিদ, মন্দির, শিক্ষক-কর্মচারী আবাসন
ক্যাম্পাসজুড়ে বিরল কাইজালীয়া প্রজাতির গাছ।
প্রশিক্ষণ ও সংস্কৃতি: রোভার স্কাউট, বিএনসিসি, বিতর্ক, সংস্কৃতি কর্মকাণ্ড, খেলা।
শিক্ষা কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
১৯১৭: উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায় শুরু
১৯২২-২৫: বিজ্ঞান বিভাগ সংযোজন
১৯৬৩: সরকারীকরণ
১৯৯৫: উচ্চ মাধ্যমিক স্তর বন্ধ, পরে আবার চালু
বিশ্ববিদ্যালয়সম হলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
নোট:
কারমাইকেল কলেজ শিক্ষার বিস্তারে উত্তরবঙ্গ ও রংপুর অঞ্চলের গর্ব এবং ইতিহাস ও ঐতিহ্যের উজ্জ্বল পতাকা